যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া অব্যহত এবং রায় কার্যকর করতে আওয়ামীলীগ সরকার বদ্ধপরিকর-মমতাজ


বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মমতাজ উদ্দিন বলেছেন, আওয়ামীলীগ জনগনের কাছে দেয়া প্রতিশ্রুতি পূরন করে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া এবং রায় কার্যকর করতে আওয়ামীলীগ সরকার বদ্ধ পরিকর। দেশী বিদেশী চক্রান্ত হুমকি উপক্ষো করে ৭১ এর ঘৃনিত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া অব্যহত রাখাসহ ইতিমধ্যেই রায় কার্যকর করেছে। বাকী সকল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাংলার মাটিতেই সম্পন্ন হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার প্রমান করেছে অপরাধ করলে তার সাজা পেতেই হবে। কেউ আইনের উর্দ্ধে নয়। আওয়ামীলীগ দেশে গনতন্ত্র সুসংহত ও আইনের শাষন প্রতিষ্ঠা করেছে। ৭৫ এর ১৫ আগষ্ঠ নির্মম হত্যাকান্ডের পর দেশে স্বাধীনতা বিরোধিদের পূনর্বাসিত করেছিল বিভিন্ন সরকার। ৭১ এর পরাজিত শক্তির গাড়ীতে জাতীয় পতাকা তুলে দেয়া হয়েছিল। দীর্ঘ সময় পর বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় এসে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীদের বিচার শুরু করে। এই বিচার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্থ করতে মরিয়া হয়ে উঠে ৭১এর পরাজিত শক্তি এবং তাদের দোসর। তারা যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে জ্বালাও পোড়াও ভাঙচুরসহ দেশে বিদেশে নানা চক্রান্ত শুরু করে। সকল ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করে জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া অব্যহত রাখে। ইতিমধ্যেই চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায় কার্যকর হয়েছে। এরই মধ্য দিয়ে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ বুদ্ধিজীবিদের রক্তের ঋন কিছুটা হলেও শোধ করার চেস্টা করছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। তিনি সকল নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে বগুড়াবাসীকে রুখে দাঁড়ানোর জন্য আহবান জানান। তিনি রবিবার দুপুরে দলীয় কার্যালয়ের সামনে জেলা আওয়ামীলীগের সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে কথাগুলো বলেন। যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকর করায় বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের আনন্দ মিছিল শেষে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান মজনু, শেরিন আনোয়ার জর্জিস, এ এইচ আজম খান, জাহেদুর রহমান, আসাদুর রহমান দুলু, সাগর কুমার রায়, এড. জাকির হোসেন নবাব, আবু সুফিয়ান সফিক, আনিসুর রহমান, সুলতান মাহমুদ খান রনি, মঞ্জুরুল হক মঞ্জু, আমিনুল ইসলাম ডাবলু, সাজেদুর রহমান সাহীন, আল রাজী জুয়েল, নাইমুর রাজ্জাক তিতাস, অসীম কুমার রায়, লুৎফুল বারী বাবু, শহিদুল ইসলাম বাপ্পি, সাজেদুর রহমান সিজু, শরিফুল আলম শিপুল, জিহাদ আল হাসান জুয়েল, নাজমুল কাদির শিপন, নাসিমুল বারী নাসিম, আরিফুল ইসলাম আরিফ, আহমেদুর রহমান ডালিম, মশিউর রহমান মন্টি, আসলাম হোসেন, আতাউর রহমান আতা, বিশ্বজিত কুমার সাহা, আলমগীর হোসেন স্বপন, ওবায়দুল্লাহ সরকার স্বপন, ফারহান আল অরছি, শামীম হোসেন প্রমুখ।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *